Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

 উপজেলা রিসোর্স সেন্টার, সিংগাইর, মানিকগঞ্জ তথ্য বাতায়নে স্বাগতম


শিরোনাম
এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ সম্পর্কিত জ্ঞাতব্য ও করণীয়
বিস্তারিত

এডিস মশার জৈবিক ও উল্লেখযোগ্য

 চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য

v আফ্রিকা মহাদেশ এ মশার উৎপত্তিস্থল হলেও বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীতে এটি শহর এলাকায় অবস্থান ও প্রাদুর্ভাব এর অন্যতম কারণ।

v ৫০ মি. দূর থেকে মানুষের নিঃশ্বাসের সাথে বের হওয়া গন্ধ শুঁকে মানুষের কাছে চলে আসে।

v ১০ মি. দূর থেকে গাঢ় লাল-নীল-কালো রঙগুলো ভালোভাবে বুঝতে পারে, তাই হালকা রঙের পোষাক প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সাহায্য করে।

vডেঙ্গু মশা সমান্তরালভাবে বসে। এরা মাঝারি  আকারের; শরীরে সাদা-কালো, ডোরাকাটা দাগ থাকে। এজন্য এদের টাইগার মশাও বলে। এন্টেনা কিছুটা লোমশ।

vসাধারণত সকালে ও বিকেলে কামড়ায়। ডেঙ্গু ভাইরাস জিনোমের মিউটেশন এর কারনে এরা রাতেও কামড়ায়।

vফিমেল এজিপ্টাই স্বচ্ছ পরিস্কার পানিতে ডিম পাড়ে।

v ২০ সে.মি. দূর থেকে মশা ঘামের গন্ধ পায়।

vএরা সাধারণত একাধিক ব্যাক্তিকে কামড়ায়। কামড়ে সাধারণত ব্যথা বা চুলকানি থাকে না যা কিউলেক্স মশায় হয়।

vডিম শক্ত, কালো রং এর; বাইরের দিকে আঠার মত লাগানো। ৮মাস থেকে ১ বৎসর পর্যন্ত ডিমগুলো সজীব থাকে এবং ঐ সময়কালে স্বচ্ছ পানির সংস্পর্শ পেলে ডিম ফুটে লার্ভা হয়। 

vহালকা স্বচ্ছ পানির সংস্পর্শে এলেই ডিম ফুটে লার্ভা হয়। লার্ভা থেকে পিউপা  ও পরিপূর্ণ মশা হতে ৫-৮ দিন লাগে। পিউপা থেকে ২-৩ দিনে উড়ন্ত মশা হয়। তাই Source Reduction এর জন্য এ সময়টা গুরুত্বপূর্ণ । অর্থাৎ লার্ভা থাকা অবস্থায় এদেরকে ধ্বংস করা সহজসাধ্য।

ডাউনলোড
ছবি
প্রকাশের তারিখ
21/08/2023
আর্কাইভ তারিখ
12/09/2023