এডিস মশার জৈবিক ও উল্লেখযোগ্য
চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
v আফ্রিকা মহাদেশ এ মশার উৎপত্তিস্থল হলেও বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীতে এটি শহর এলাকায় অবস্থান ও প্রাদুর্ভাব এর অন্যতম কারণ।
v ৫০ মি. দূর থেকে মানুষের নিঃশ্বাসের সাথে বের হওয়া গন্ধ শুঁকে মানুষের কাছে চলে আসে।
v ১০ মি. দূর থেকে গাঢ় লাল-নীল-কালো রঙগুলো ভালোভাবে বুঝতে পারে, তাই হালকা রঙের পোষাক প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সাহায্য করে।
vডেঙ্গু মশা সমান্তরালভাবে বসে। এরা মাঝারি আকারের; শরীরে সাদা-কালো, ডোরাকাটা দাগ থাকে। এজন্য এদের টাইগার মশাও বলে। এন্টেনা কিছুটা লোমশ।
vসাধারণত সকালে ও বিকেলে কামড়ায়। ডেঙ্গু ভাইরাস জিনোমের মিউটেশন এর কারনে এরা রাতেও কামড়ায়।
vফিমেল এজিপ্টাই স্বচ্ছ পরিস্কার পানিতে ডিম পাড়ে।
v ২০ সে.মি. দূর থেকে মশা ঘামের গন্ধ পায়।
vএরা সাধারণত একাধিক ব্যাক্তিকে কামড়ায়। কামড়ে সাধারণত ব্যথা বা চুলকানি থাকে না যা কিউলেক্স মশায় হয়।
vডিম শক্ত, কালো রং এর; বাইরের দিকে আঠার মত লাগানো। ৮মাস থেকে ১ বৎসর পর্যন্ত ডিমগুলো সজীব থাকে এবং ঐ সময়কালে স্বচ্ছ পানির সংস্পর্শ পেলে ডিম ফুটে লার্ভা হয়।
vহালকা স্বচ্ছ পানির সংস্পর্শে এলেই ডিম ফুটে লার্ভা হয়। লার্ভা থেকে পিউপা ও পরিপূর্ণ মশা হতে ৫-৮ দিন লাগে। পিউপা থেকে ২-৩ দিনে উড়ন্ত মশা হয়। তাই Source Reduction এর জন্য এ সময়টা গুরুত্বপূর্ণ । অর্থাৎ লার্ভা থাকা অবস্থায় এদেরকে ধ্বংস করা সহজসাধ্য।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস